শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩

নির্যাতনের পর ছবি ছাপা—তসলিমার চোখে ‘ধর্মনিরপেক্ষ প্রতারণা’

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ৪ জুন, ২০২৫, ৮:২৪ পিএম
নির্যাতনের পর ছবি ছাপা—তসলিমার চোখে ‘ধর্মনিরপেক্ষ প্রতারণা’

বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর একদিকে চলছে নির্যাতন, অন্যদিকে সরকারের পক্ষ থেকে মন্দিরের ছবি ছাপানো হচ্ছে নতুন মুদ্রায়—হিন্দু নির্যাতন ও মন্দিরের ছবি সম্বলিত টাকার নোট দেখতে পেয়ে অনেকে রিতীমতো থমকে গেছেন! এই দ্বিচারিতাকে “প্রতারণা ও প্রচারণার ফাঁদ” বলে অভিহিত করেছেন প্রবাসে নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন

সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকারের প্রকাশিত নতুন নোটে একটি হিন্দু মন্দিরের ছবি ছাপানো হয়েছে। এতে একদিকে সরকার ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ মুখোশে বিশ্ব সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করছে, অন্যদিকে দেশের মাটিতে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বলে সমালোচনা উঠেছে।


❝তসলিমার প্রতিবাদ❞

তসলিমা নাসরিন তাঁর ফেসবুক পেজে লেখেন:

“সরকার হিন্দুদের সঙ্গে প্রতারণা করছে। একদিকে হিন্দুদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে, অন্যদিকে মন্দিরের ছবি ছাপিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের সহানুভূতি অর্জনের চেষ্টা করছে।”

তিনি আরও বলেন, “ইউনুস সরকারের আমলে হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে কোন কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং তাদের প্রতীকে পরিণত করে রাজনীতি করা হচ্ছে।”


🔥 “জিহাদিরা নাকি জ্বালিয়ে দেবে এই নোট”

তসলিমার মতে, কিছু উগ্র মৌলবাদী গোষ্ঠী ইতোমধ্যে নতুন টাকায় মন্দিরের ছবি দেখে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও স্ট্যাটাসে দেখা গেছে, কেউ কেউ নোট জ্বালিয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। হিন্দু নির্যাতন ও মন্দিরের ছবি দিয়ে রীতিমতো হিন্দুদের বোকা বানানো হয়েছে বলে অনেকে সমালোচনা করেন।


🧕‍ তসলিমার নির্বাসনের ইতিহাস ও প্রাসঙ্গিকতা

১৯৯৪ সালের আগস্টে খালেদা জিয়ার আমলে দেশত্যাগে বাধ্য হন তসলিমা নাসরিন। মায়ের কান্না, ভাইবোনের আহাজারি পেছনে ফেলে দেশ ছাড়তে হয় তাঁকে।
তিনি বলেন,

“বাংলাদেশই আমার দেশ, কলকাতা বা ইউরোপ নয়। আমি বাংলার মাটি, বাতাস, ভাষার টানেই বেঁচে থাকতে চাই।”

তসলিমা দীর্ঘদিন ধরে ভারত, ইউরোপ ও আমেরিকায় নির্বাসিত জীবনযাপন করছেন। নারীবাদ, ধর্মীয় মৌলবাদ ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে লেখালেখির কারণে তিনি আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হলেও নিজ দেশে এখনও নিষিদ্ধ, অবাঞ্ছিত ও বিতর্কিত।

হিন্দু নির্যাতন ও মন্দিরের ছবি এ নিয়ে বরাবরই সাহসি প্রতিবাদ করে আসছেন বিখ্যাত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। তার বিষয়ে সামান্য ধারনা পেতে পড়তে পারেন নিচের তসলিমা নাসরিন দেশে ফেরার বাধা কোথায় এ প্রতিবেদনটি পড়ুন —

তসলিমা নাসরিনের দেশে ফেরার বাধা কোথায়? 


🔎 প্রতারণা না প্রচারণা?

বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকার নতুন টাকায় মন্দিরের ছবি ছাপিয়ে সংখ্যালঘুদের প্রতি সহানুভূতির বার্তা দিতে চাচ্ছে। তবে এটি মূলত বিশ্বমঞ্চে ‘সেক্যুলার ইমেজ’ প্রদর্শনের কৌশল, বাস্তবতা ভিন্ন।

অনেকের মতে, এধরনের প্রচার যদি সত্যিই আন্তরিক হতো, তাহলে দেশের হিন্দু সম্প্রদায়কে নিরাপত্তা দেওয়া হতো, হামলার বিচার হতো, মন্দির-দখল রোধ করা হতো।


📢 ফেরার দাবিতে প্রশ্ন: তসলিমার দেশে ফিরতে বাধা কোথায়?

বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে কেন তসলিমা দেশে ফিরতে পারেন না? এই প্রশ্নও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। লেখিকার বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি কোনো অপরাধী নন, শুধুমাত্র লেখার মাধ্যমে মত প্রকাশের জন্য তাঁকে দেশছাড়া হতে হয়েছে।


📌 শেষ কথা

বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের অধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ও রাষ্ট্রের দ্বিমুখী নীতির বিরুদ্ধে তসলিমা নাসরিনের মতো কণ্ঠগুলো আমাদের নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে—আসলেই কি আমরা ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে বাস করছি? নাকি এটি এক রাজনৈতিক মুখোশমাত্র?


✅ বর্তমান সরকার মত প্রকাশে চরম বাধা দিচ্ছেন- তা পড়তে ক্লিক করুন

বঙ্গবন্ধুকে ‘সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে নতুন সংজ্ঞা: প্রশ্নের মুখে দখলদার ইউনূস বাহিনী

0 0 votes
রেটিং দিন।
Subscribe
Notify of
guest
0 মন্তব্যসমূহ
Oldest
Newest Most Voted
এলাকার খবর

কৃষকের ওপর হামলার অভিযোগ

কালিগঞ্জে কৃষককে পিটিয়ে ফেলে যাওয়ার অভিযোগ, হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর লড়াই

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ৩:২২ পিএম
কালিগঞ্জে কৃষককে পিটিয়ে ফেলে যাওয়ার অভিযোগ, হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর লড়াই

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ধলবাড়িয়া ইউনিয়নে এক কৃষককে পিটিয়ে ও বেধড়ক মারধরের পর মৃত ভেবে সড়কের পাশে ফেলে রেখে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার দেবাড়িয়া ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত কৃষক শফিকুল ইসলাম দেবাড়িয়া গ্রামের রশিদ গাজীর ছেলে। তার পরিবারের অভিযোগ, একই গ্রামের মেহেদী হাসান, মাসুদ, ইমরান হোসেন, কাদের, মাহাবুবসহ ১০ থেকে ১২ জনের একটি দল পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালায়।

পরিবারের সদস্যদের দাবি, এর আগে একই পক্ষ শফিকুল ইসলামের প্রায় আড়াই বিঘা মাছের ঘের দখল করে নেয়। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল এবং বিভিন্ন সময় তাকে প্রাণনাশসহ নানা ধরনের হুমকি দেওয়া হয়।

অভিযোগ রয়েছে, এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শফিকুল ইসলাম সাতক্ষীরা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭/১১৭ (গ) ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত অভিযুক্তদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দিলে তারা মুচলেকা দিয়ে জামিন লাভ করেন। এরপর থেকেই তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং কয়েক দিন আগে এক দফা মারধরের পর শনিবার আবারও হামলা চালানো হয় বলে পরিবারের অভিযোগ।

শফিকুল ইসলামের স্বজনদের দাবি, হামলাকারীরা তাকে বেধড়ক মারধর করে মৃত ভেবে সড়কের পাশে ফেলে রেখে যায়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোনও নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, খবর পেয়ে তারা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন। পরে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় শফিকুল ইসলামকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পরিবারের আরও অভিযোগ, হামলার সময় শফিকুলকে রক্ষা করতে গেলে তার বাবা রশিদ গাজী, মা ফাতেমা বেগম এবং চাচা মজিদকেও মারধর করা হয়।

এদিকে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক গোষ্ঠীর মদদে হামলাকারীরা এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগীর স্বজনরা। তবে এ অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

অভিযুক্তদের একজন মাহাবুব মারধরের ঘটনার বিষয়ে বলেন, “একটু হাতাহাতি হয়েছে।”

কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, মারধরের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যোগাযোগে নতুন সম্ভাবনা

সেতু সচিবের পরিদর্শন, সুগন্ধা নদীতে সেতু নির্মাণে নতুন আশার আলো

গাজী গিয়াস উদ্দিন বশির | ঝালকাঠি প্রতিনিধি : প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ১:২৩ পিএম
সেতু সচিবের পরিদর্শন, সুগন্ধা নদীতে সেতু নির্মাণে নতুন আশার আলো

সুগন্ধা নদীতে সেতু নির্মাণের সম্ভাবনা যাচাইয়ে সচিবের পরিদর্শন

সেতু সচিবের পরিদর্শন ঘিরে আশার আলো দেখছে ঝালকাঠিবাসী। দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ আরও সহজ, দ্রুত ও আধুনিক করতে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীর ওপর সম্ভাব্য সেতু নির্মাণের স্থান পরিদর্শন করেছেন সেতু বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সচিব মো. আবদুর রউফ।

শনিবার (১১ জুলাই) সকালে ঝালকাঠি কলেজ খেয়াঘাট থেকে স্পিডবোটে নদীপথে পরিদর্শনে বের হন সচিব ও তাঁর সফরসঙ্গী ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পরিদর্শনকালে তারা নলছিটি উপজেলার ষাইটপাকিয়া, সুতালড়ী এবং ঝালকাঠি পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন সুগন্ধা নদীর তিনটি সম্ভাব্য স্থান ঘুরে দেখেন।

এ সময় সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও কর্মকর্তারা সম্ভাব্য সেতুর অবস্থান, নদীর প্রবাহ, সংযোগ সড়ক, ভূমি পরিস্থিতি এবং অন্যান্য কারিগরি বিষয়ে সচিবকে অবহিত করেন। সচিবও বিভিন্ন দিক নিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সুগন্ধা নদীর ওপর সেতু নির্মিত হলে ঝালকাঠি, নলছিটিসহ আশপাশের এলাকার মানুষের যাতায়াত আরও সহজ ও সময়সাশ্রয়ী হবে। একই সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী হবে এবং নদীর দুই তীরের জনপদে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও সামগ্রিক আর্থসামাজিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সম্ভাব্যতা যাচাই শেষে দ্রুত প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে বহুদিনের কাঙ্ক্ষিত সুগন্ধা সেতু বাস্তবায়নের পথ আরও সুগম হবে।

স্থানীয়দের তৎপরতায় প্রাণরক্ষা

ঝালকাঠিতে শিশুকে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ মায়ের, স্থানীয়দের তৎপরতায় প্রাণে বাঁচল দুজন

গাজী গিয়াস উদ্দিন বশির | ঝালকাঠি প্রতিনিধি : প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ১১:২৪ এএম
ঝালকাঠিতে শিশুকে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ মায়ের, স্থানীয়দের তৎপরতায় প্রাণে বাঁচল দুজন

ঝালকাঠির নলছিটিতে পাঁচ বছর বয়সী কন্যা সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন এক নারী। তবে স্থানীয়দের দ্রুত তৎপরতায় মা ও শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে তারা দুজনই নিরাপদ রয়েছেন।

 প্রতিবেদনের হাইলাইটস


  • শুক্রবার রাতে ঝালকাঠির নলছিটি ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

  • পাঁচ বছর বয়সী কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেন এক নারী।

  • স্থানীয়দের তাৎক্ষণিক তৎপরতায় মা ও শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

  • উদ্ধারের পর দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং বর্তমানে তারা নিরাপদ রয়েছেন।

  • ঘটনার বিষয়ে তদন্ত করছে পুলিশ; অভিযোগের বিষয়ে অপর পক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার (১০ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে নলছিটি ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

উদ্ধার হওয়া নারীর নাম লাকি আক্তার। তিনি নলছিটি শহরের বাসিন্দা আদম আলীর ছেলে সাইদুল ইসলামের সাবেক স্ত্রী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লাকি আক্তার তার পাঁচ বছর বয়সী কন্যাকে নিয়ে হঠাৎ সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন। বিষয়টি দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন দ্রুত নদীতে নেমে উদ্ধার অভিযান চালান। পরে মা ও শিশুকে জীবিত উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।

লাকি আক্তারের দাবি, বিয়ের পর থেকেই স্বামীর সঙ্গে তার দাম্পত্য কলহ চলছিল। কিছুদিন আগে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর সাবেক স্বামীর পক্ষ থেকে মেয়েকে নিজের কাছে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছিল।

এ কারণে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন এবং আবেগপ্রবণ হয়ে এমন পদক্ষেপ নেন বলে জানান।

নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে পুলিশ অবগত রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মা ও শিশু বর্তমানে নিরাপদ রয়েছেন। তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা সাইদুল ইসলামের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ফলে এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

×
CLOSE X