বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩

ফের উঠে দাঁড়াচ্ছেন শেখ হাসিনা: মিথ্যা মামলায় রাজনৈতিক নেত্রীকে কাঠগড়ায় তোলার চেষ্টা?

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ৭ জুন, ২০২৫, ১০:৪০ পিএম
ফের উঠে দাঁড়াচ্ছেন শেখ হাসিনা: মিথ্যা মামলায় রাজনৈতিক নেত্রীকে কাঠগড়ায় তোলার চেষ্টা?
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র- বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও দীর্ঘমেয়াদী সরকারপ্রধান শেখ হাসিনাকে আবারও এক অশুভ চক্রান্তের মুখোমুখি করা হচ্ছে। এবার সরাসরি ‘আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল’ গঠনের দাবি উঠেছে—যেখানে শেখ হাসিনার নামও টেনে আনা হয়েছে। বিষয়টি শুধু দুঃখজনকই নয়, রাষ্ট্রীয়ভাবে গভীরভাবে উদ্বেগজনক।

এই ষড়যন্ত্র কাদের নেতৃত্বে?
কয়েকটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা, বিদেশি সংবাদমাধ্যম ও স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যর্থ একাংশ এখন এই মামলাকে সামনে এনে নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করতে চায়। তাঁদের মূল লক্ষ্য একটাই—শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করা এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা স্তব্ধ করা।

মুক্তিযুদ্ধবিরোধীরা কি আবার সক্রিয়?
যেসব শক্তি একাত্তরের পরাজয় মেনে নিতে পারেনি, যারা এখনো পাকিস্তানি প্রেতাত্মার হয়ে কথা বলে—তাদের ছায়া এই ষড়যন্ত্রে স্পষ্ট। শেখ হাসিনাই তো সেই নেতা, যিনি ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। আজ সেই নেতাকেই যুদ্ধাপরাধী সাজানোর চেষ্টা—এ যেন ইতিহাসের নির্মম পরিহাস।

জনগণের সমর্থন শেখ হাসিনার সাথেই
দেশের মানুষ জানে, শেখ হাসিনা কখনোই মুক্তিযুদ্ধ বা মানবতাবিরোধী অপরাধের অংশ ছিলেন না—বরং তিনি ছিলেন প্রতিরোধের নেত্রী। এমন অভিযোগ শুধু হাস্যকর নয়, এটি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের উপর সরাসরি আঘাত। সাধারণ জনগণ, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক সমাজ ও ছাত্রসমাজ এর প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে।

আন্তর্জাতিক আদালতের নামে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে
যে আদালতের কথা বলা হচ্ছে, সেটি আদৌ কোনো স্বীকৃত বা বৈধ আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল নয়। বরং এটি একটি প্রাইভেট উদ্যোগ—যেখানে একটি গোষ্ঠী নিজেদের মত করে বিচার বসাচ্ছে। আন্তর্জাতিক আইনের কোনো ভিত্তি নেই এতে, এবং বাংলাদেশ সরকার এই ভুয়া আদালতকে ইতোমধ্যেই প্রত্যাখ্যান করেছে।

  • শেখ হাসিনার পক্ষে এক জাগরণ
    এই সময় একটাই প্রশ্ন—দেশের মানুষ কি বসে থাকবে? না। বাংলাদেশ জেগে উঠেছে, আবার। যেভাবে এক সময় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চেয়ে রাজপথ কাঁপিয়েছিল, এবার শেখ হাসিনার পাশে দাঁড়িয়ে জাতি বলছে—”এবার ষড়যন্ত্র রুখে দাও”।

ষড়যন্ত্রের জবাব দেবে বাংলাদেশ

যারা মনে করছে, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে সরানো যাবে—তারা বাংলাদেশকে এখনো চেনে না। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, জনগণ সব সময় সঠিক নেতৃত্বের পাশে থেকেছে। আজও থাকবে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

কর্মদক্ষতায় বদলাচ্ছে প্রশাসনিক চিত্র

বাহুবলে জনসেবায় প্রশংসিত ইউএনও উজ্জ্বল রায়

নাজমুল ইসলাম হৃদয়, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ৩:২৬ পিএম
বাহুবলে জনসেবায় প্রশংসিত ইউএনও উজ্জ্বল রায়

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার প্রশাসনে মানবিকতা, সততা ও কর্মদক্ষতার নজির স্থাপন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও উজ্জ্বল রায়। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই জনবান্ধব প্রশাসন গড়ে তুলতে নানা উদ্যোগ নিয়ে স্থানীয়দের প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, দ্রুত সেবা নিশ্চিতকরণ ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠায় কাজ করছেন ইউএনও উজ্জ্বল রায়। পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো ও সামাজিক উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন তিনি।

উপজেলায় অবৈধ বালু উত্তোলন, মাটি কাটা, মাদক কারবার, অবৈধ ইটভাটা ও যানজট নিরসনে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছেন তিনি। এছাড়া খাল উদ্ধার ও পরিবেশ রক্ষায়ও নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন পদক্ষেপ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত উদ্যোগে অসহায়, প্রতিবন্ধী ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ান ইউএনও উজ্জ্বল রায়। অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীকে আর্থিক সহায়তাও করছেন তিনি।

সেবা নিতে আসা কয়েকজন জানান, ইউএনও উজ্জ্বল রায় আচরণে ভদ্র, সৎ ও দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা। সাধারণ মানুষের কথা গুরুত্ব দিয়ে শোনেন এবং দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করেন।

ব্যবসায়ী ফরিদ মিয়া বলেন, “একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা এতটা জনবান্ধব হতে পারেন, তা উজ্জ্বল রায়কে না দেখলে বোঝা যেত না।”

এ বিষয়ে ইউএনও উজ্জ্বল রায় বলেন, “জনগণের সেবা করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। অন্যায়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে চাই।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, মানবিক ও দায়িত্বশীল প্রশাসনের মাধ্যমে বাহুবলে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন ইউএনও উজ্জ্বল রায়।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল ছাত্রীর মরদেহ

কুমিল্লায় ভাড়া বাসায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর মৃত্যু

রোমানা আক্তার প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ২:৫৭ পিএম
কুমিল্লায় ভাড়া বাসায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর মৃত্যু

কুমিল্লা নগরীর মনোহরপুর এলাকায় ভাড়া বাসা থেকে এক বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রহস্যজজনক মৃত্যু নিয়ে এ  ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

নিহত জান্নাতুন নাঈম ফারিহা (২৩) নাঙ্গলকোট উপজেলার কান্দাল গ্রামের স্কুলশিক্ষক হানিফ মিয়ার মেয়ে। তিনি কোটবাড়ী এলাকার সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-এর সিএসই বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন।

মঙ্গলবার রাতে নগরীর ‘কাশেম গার্ডেন’ ভবনের একটি কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।

পরিবারের দাবি, বিয়ের পর থেকেই ফারিহার দাম্পত্য জীবনে অশান্তি চলছিল। রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনাকে ঘিরে তারা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবি নিয়েও আলোচনা তৈরি হয়েছে। অনেকেই ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন।

কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা-এর ওসি তৌহিদুল আনোয়ার জানান, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

ফসল ও পরিবেশ হুমকিতে

দেবীদ্বারে খালের ওপর মক্তব-টয়লেট নির্মাণের অভিযোগ

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ২:২৭ পিএম
দেবীদ্বারে খালের ওপর মক্তব-টয়লেট নির্মাণের অভিযোগ

কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার ৪ নম্বর সুবিল ইউনিয়নের নারায়নপুর খালের ওপর মক্তব, টয়লেট, সেফটি ট্যাংকি ও বর্জ্যের ভাগাড় নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এতে খালটির নাব্যতা নষ্ট হয়ে জলাবদ্ধতার পাশাপাশি শত শত একর কৃষিজমির ফসল ও মৎস্যসম্পদ হুমকির মুখে পড়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ওয়াহেদপুর করিম সরকার বাড়ি জামে মসজিদের পাশের গুরুত্বপূর্ণ নারায়নপুর খালের ওপর ফাউন্ডেশন দিয়ে মক্তব ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি মসজিদ ও আশপাশের বাড়ির টয়লেটের সেফটি ট্যাংকি এবং বর্জ্য ফেলার স্থান গড়ে তোলায় খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে।

এ ঘটনায় খালের ওপর থেকে অবৈধ স্থাপনা অপসারণ এবং পরিবেশ বিপর্যয় রোধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নারায়নপুর-আব্দুল্লাহপুর এলাকার গোমতী নদীর স্লুইসগেট সংলগ্ন মরা নদীর অংশ থেকে উৎপত্তি হওয়া এ খালটি বুড়ি নদীর সঙ্গে সংযুক্ত। প্রায় ৬০ থেকে ৭০ ফুট প্রশস্ত এ খাল নারায়নপুর, আব্দুল্লাহপুর, ওয়াহেদপুর, জীবনপুর, কাবিলপুর, রামনগর, শিবনগর ও গুঞ্জর গ্রামের কয়েকশ একর কৃষিজমি ও মাছ আহরণের অন্যতম প্রধান সংযোগপথ।

নারায়নপুর গ্রামের কৃষক আয়ুব সরকার বলেন, “খালের ওপর স্থাপনা নির্মাণের কারণে পানিপ্রবাহ কমে যাচ্ছে। এতে জলাবদ্ধতা ও পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।”

আরেক কৃষক শাহজাহান সরকার বলেন, “সরকার যখন খাল রক্ষা ও খননের উদ্যোগ নিচ্ছে, তখন একটি মহল খালের ওপর স্থাপনা নির্মাণ করছে। টয়লেটের বর্জ্যে খালের পানি দূষিত হচ্ছে। দ্রুত এসব অপসারণ করা প্রয়োজন।”

এ বিষয়ে ওয়াহেদপুর করিম সরকার বাড়ি জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি হাজী সাহেব আলী বলেন, “মসজিদ ও মক্তবের উন্নয়নের জন্য প্রবাসীরা অর্থ পাঠান। আমি সবার সঙ্গে থেকে দায়িত্ব পালন করছি। তবে বিষয়টি নিয়ে এখন জটিলতা তৈরি হয়েছে।”

মসজিদ কমিটির কোষাধ্যক্ষ মো. হাবিব উল্লাহ দাবি করেন, মক্তব ভবনের নিচে পিলার দিয়ে পানিপ্রবাহের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, “অভ্যন্তরীণ বিরোধের কারণেও অভিযোগ উঠতে পারে।”

দেবীদ্বার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ফয়সাল উদ্দিন বলেন, খালের ওপর স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম খান বলেন, “সেফটি ট্যাংকি নির্মাণের অভিযোগ পেয়েছি। খালের ওপর মক্তব নির্মাণের বিষয়টিও তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×