রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩

সন্ত্রাসীদের ভয়ে ঈদেও সন্তানদের কাছে ফিরতে পারছেন না নারী সাংবাদিক প্রিয়া

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ জুন, ২০২৫, ১:৪৮ পিএম
সন্ত্রাসীদের ভয়ে ঈদেও সন্তানদের কাছে ফিরতে পারছেন না নারী সাংবাদিক প্রিয়া

 


🟩 সংবাদের হাইলাইটস :

  • 🎤 নারী সাংবাদিক প্রিয়া মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে একাধিকবার হামলার শিকার হয়েছেন।
  • 👧 তার দুই শিশু কন্যা—সাদিয়া সাবা (৯) ও সাবিহা ইসলাম (৫) ঈদের দিন মায়ের জন্য অপেক্ষা করলেও প্রিয়া সন্ত্রাসীদের ভয়ে ঘরে ফিরতে পারছেন না।
  • 🗓️ ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, কুমিল্লার দাউদকান্দি ও মুরাদনগর সীমান্তবর্তী এলাকা প্রিয়া স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী ও ভূমিদস্যুদের হাতে আক্রান্ত হন।
  • 🩺 মাথা ও পিঠে গুরুতর আঘাত পাওয়ার পর তার চিকিৎসা থেমে আছে অর্থাভাবে; মানসিক ট্রমায় ভুগছেন তিনি।
  • 🚔 সরকারের চাপ ও ভয়ভীতির কারণে পুলিশও কোনো সহায়তা দিতে পারছে না
  • 📉 বাংলাদেশে প্রতিদিন গড়ে ২০ জনের বেশি সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার হলেও আন্তর্জাতিক মহলের নীরবতা উদ্বেগজনক।
  • 📢 প্রিয়ার আহ্বান—“নিরাপদ আশ্রয় ও চিকিৎসা দরকার—but আমি একা, আর্থিকভাবে পঙ্গু হয়ে গেছি।”
  • 🌐 আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর কাছে তার চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আবেদন জানানো হয়েছে।

মূল প্রতিবেদন-

ঈদের আনন্দ সবার ঘরে ফিরলেও, সাংবাদিক ফাহিমা বেগম প্রিয়ার কাছে ঈদ মানে আরও এক নিঃসঙ্গ যুদ্ধ। দুই কন্যা সন্তান সাদিয়া সাবা (৯) ও সাবিহা ইসলাম (৫) মা’র পথ চেয়ে বসে থাকে, অথচ এ নারী সাংবাদিক প্রিয়া ফিরতে পারেন না। কারণ—তিনি এখন নিজ দেশেই এক প্রকারে ন্দি, নিজ বাড়িতেই অনিরাপদ। তার অপরাধ—তিনি মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন, ভূমিদস্যুদের নাম প্রকাশ করেছেন, এবং সবচেয়ে বড় কথা—তিনি নারী, যিনি নারী অধিকার নিয়ে লেখেন, প্রতিবাদ করেন।

২০২৫ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার মুরাদনগরে স্থানীয় মাদক কারবারি ও ভূমিদস্যুদের দ্বারা নৃশংস হামলার শিকার হন এই সাহসী নারী সাংবাদিক। মাথা ও পিঠে গুরুতর আঘাত পান তিনি। হামলার পরপরই তার জীবন থমকে দাঁড়ায়—চিকিৎসা অসম্পূর্ণ, মানসিকভাবে ভেঙে পড়া এক নারী, যার একটাই অপরাধ—সত্য বলা।

👉 আপনি চাইলে নারী সাংবাদিক প্রিয়ার উপর হামলার এই লেখাটি পড়তে পাড়েন

মুরাদনগরের নারী সাংবাদিককে নির্যাতনকারীদের এক সপ্তাহেও গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ

এ বিষয়ে অজ্ঞাত স্থান থেকে এ নারী সাংবাদিক বলেন,

“আমি শুধু সত্য বলার চেষ্টা করেছিলাম। এখন আমি অসুস্থ, আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি। চিকিৎসা দরকার, নিরাপদ আশ্রয় দরকার—but আমি একা, আর্থিকভাবে পঙ্গু হয়ে পড়েছি।”

বাংলাদেশে নারীর নিরাপত্তা আজ প্রশ্নের মুখে। বিশেষ করে সেই নারীরা যারা সমাজের অন্ধকার কোণগুলোতে আলো ফেলেন, তাদের জীবন আজ সবচেয়ে বেশি হুমকির মুখে। সাংবাদিক প্রিয়া একজন প্রথাভাঙা নারী, যিনি দীর্ঘদিন ধরে মুরাদনগরে দুর্নীতি, মাদক, দখলদারিত্ব, এবং জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন করে আসছেন।

কিন্তু এই প্রতিবাদই তার জীবনের কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু একবার নয়—নারী সাংবাদিক প্রিয়া কে হত্যার উদ্দেশ্যে একাধিকবার হামলা চালানো হয়েছে। অথচ আজও তার জন্য নেই কোনো কার্যকর পুলিশি সহায়তা, নেই সরকারি নিরাপত্তা।

বর্তমানে বাংলাদেশে প্রতিদিন গড়ে ২০ জনেরও বেশি সাংবাদিক হামলা, হয়রানি বা নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। অথচ এই সংকট নিয়ে জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কিংবা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর কোনো তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া চোখে পড়ে না। বরং অনেকে মনে করছেন, কূটনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় আন্তর্জাতিক মহল বাংলাদেশের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে নীরবতা পালন করছে।

👉 আপনি চাইলে এই লেখাটি পড়তে পাড়েন—-

জাতিসংঘের প্রতিনিধি গুয়েন লুইসের বক্তব্যে বিতর্ক

আগামী ৭ জুন দেশে ঈদ। সারা দেশের মানুষ পরিবারে আনন্দে মাতলেও, নারী সাংবাদিক প্রিয়া দূরে কোথাও নিরাপদ আশ্রয়ে ঘরছাড়া। তার সন্তানরা জানে না, মা ফিরবেন কবে। জানে না—মা আদৌ বাঁচবেন কি না।

এটা কি একজন সাংবাদিকের প্রাপ্য? একজন মায়ের?

আন্তর্জাতিক মহলের কাছে আবেদন—বাংলাদেশে নারী সাংবাদিকদের নিরাপত্তা দিন। ফাহিমা আক্তার প্রিয়ার পাশে দাঁড়ান। তার চিকিৎসা, নিরাপত্তা ও পেশাগত অধিকারের নিশ্চয়তা দিন।
নইলে এ সমাজে সত্য বলা আরও এক ধাপে পিছিয়ে যাবে। সত্য চিরতরে হারিয়ে যাবে সন্ত্রাসীদের হুংকারে।


👉 আপনি চাইলে এই লেখাটি পড়তে পাড়েন

সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের ওপর হামলা

0 0 votes
রেটিং দিন।
Subscribe
Notify of
guest
0 মন্তব্যসমূহ
Oldest
Newest Most Voted
এলাকার খবর

জামানতের টাকা জমা, দালালকে ৫ হাজার, ১৯ বার অফিসে ঘুরেও মেলেনি বিদ্যুতের মিটার!

খাদিজা বেগম, বিশেষ প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ৯:২২ পিএম
জামানতের টাকা জমা, দালালকে ৫ হাজার, ১৯ বার অফিসে ঘুরেও মেলেনি বিদ্যুতের মিটার!

কুমিল্লার মুরাদনগরে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য সরকারি ফি ও জামানতের টাকা জমা দেওয়ার পরও দীর্ঘ সময় ধরে মিটার না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, দ্রুত সংযোগ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাসে পল্লী বিদ্যুতের এক কথিত দালালকে ৫ হাজার টাকা দেওয়ার অভিযোগও করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। তিন বছর ধরে দফায় দফায় অফিসে ঘুরেও কোনো সমাধান না পাওয়ায় চরম হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা।

জামানতের টাকা জমার আড়াই বছরেও বিদ্যুৎ সংযোগ নেই, ১৯ বার অফিসে ঘুরেও মিলেনি সমাধান

ভুক্তভোগী গ্রাহক মো. আবুল কালাম আজাদ, পিতা- মৃত রোশন আলী। তার বাড়ি গ্রাম ও ডাকঘর: কাজিয়াতল, উপজেলা: মুরাদনগর, জেলা: কুমিল্লা।

প্রাপ্ত নথিপত্রে দেখা যায়, কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর আওতায় নতুন আবাসিক বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য আবেদন করেন আবুল কালাম আজাদ। আবেদন অনুমোদনের পর ৩১ মার্চ ২০২৪ তারিখে ১ হাজার ৯২০ টাকা কনজ্যুমার ডিপোজিট (জামানত) জমা দেন। রসিদে অ্যাকাউন্ট নম্বর 22510 এবং সিরিয়াল নম্বর 11042003220 উল্লেখ রয়েছে।

কিন্তু অভিযোগ, সরকারি নিয়মে জামানতের টাকা পরিশোধের পরও আজ পর্যন্ত বিদ্যুতের মিটার বা সংযোগ পাননি তিনি।

ভুক্তভোগীর স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগম অভিযোগ করে বলেন, “মিটার পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে পল্লী বিদ্যুতের দালাল সালামের কাছে প্রায় তিন বছর আগে ৫ হাজার টাকা দিয়েছি। এরপরও কোনো কাজ হয়নি। এখন পর্যন্ত অন্তত ১৯ বার পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে গিয়েছি। প্রতিবারই আজ-কাল বলে ঘুরানো হয়েছে। কিন্তু আজও মিটার পেলাম না।”

তার দাবি, বারবার অফিসে গিয়ে সময়, শ্রম ও যাতায়াত খরচ নষ্ট হলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে কোনো সন্তোষজনক জবাব মেলেনি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গ্রাহকদের কাছ থেকে সরকারি টাকা গ্রহণের পর বছরের পর বছর সংযোগ না দেওয়া এবং দালালচক্রের দৌরাত্ম্য পল্লী বিদ্যুতের সেবার স্বচ্ছতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।

এ বিষয়ে কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর মুরাদনগর সাব-জোনাল অফিসের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মো. আনিসুর রহমান বলেন, “বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। খুব শিগগিরই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং গ্রাহকের সমস্যা সমাধানে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

এ বিষয়ে কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) প্রকৌশলী মো. রাশেদুজ্জামান বলেন, “বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে। গ্রাহক যাতে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে পারেন, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হবে।”

ভুক্তভোগী পরিবার দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দালালচক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, জমা দেওয়া অর্থের যথাযথ মূল্যায়ন এবং অবিলম্বে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

কৃষকের ওপর হামলার অভিযোগ

কালিগঞ্জে কৃষককে পিটিয়ে ফেলে যাওয়ার অভিযোগ, হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর লড়াই

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ৩:২২ পিএম
কালিগঞ্জে কৃষককে পিটিয়ে ফেলে যাওয়ার অভিযোগ, হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর লড়াই

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ধলবাড়িয়া ইউনিয়নে এক কৃষককে পিটিয়ে ও বেধড়ক মারধরের পর মৃত ভেবে সড়কের পাশে ফেলে রেখে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার দেবাড়িয়া ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত কৃষক শফিকুল ইসলাম দেবাড়িয়া গ্রামের রশিদ গাজীর ছেলে। তার পরিবারের অভিযোগ, একই গ্রামের মেহেদী হাসান, মাসুদ, ইমরান হোসেন, কাদের, মাহাবুবসহ ১০ থেকে ১২ জনের একটি দল পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালায়।

পরিবারের সদস্যদের দাবি, এর আগে একই পক্ষ শফিকুল ইসলামের প্রায় আড়াই বিঘা মাছের ঘের দখল করে নেয়। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল এবং বিভিন্ন সময় তাকে প্রাণনাশসহ নানা ধরনের হুমকি দেওয়া হয়।

অভিযোগ রয়েছে, এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শফিকুল ইসলাম সাতক্ষীরা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭/১১৭ (গ) ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত অভিযুক্তদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দিলে তারা মুচলেকা দিয়ে জামিন লাভ করেন। এরপর থেকেই তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং কয়েক দিন আগে এক দফা মারধরের পর শনিবার আবারও হামলা চালানো হয় বলে পরিবারের অভিযোগ।

শফিকুল ইসলামের স্বজনদের দাবি, হামলাকারীরা তাকে বেধড়ক মারধর করে মৃত ভেবে সড়কের পাশে ফেলে রেখে যায়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোনও নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, খবর পেয়ে তারা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন। পরে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় শফিকুল ইসলামকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পরিবারের আরও অভিযোগ, হামলার সময় শফিকুলকে রক্ষা করতে গেলে তার বাবা রশিদ গাজী, মা ফাতেমা বেগম এবং চাচা মজিদকেও মারধর করা হয়।

এদিকে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক গোষ্ঠীর মদদে হামলাকারীরা এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগীর স্বজনরা। তবে এ অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

অভিযুক্তদের একজন মাহাবুব মারধরের ঘটনার বিষয়ে বলেন, “একটু হাতাহাতি হয়েছে।”

কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, মারধরের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যোগাযোগে নতুন সম্ভাবনা

সেতু সচিবের পরিদর্শন, সুগন্ধা নদীতে সেতু নির্মাণে নতুন আশার আলো

গাজী গিয়াস উদ্দিন বশির | ঝালকাঠি প্রতিনিধি : প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ১:২৩ পিএম
সেতু সচিবের পরিদর্শন, সুগন্ধা নদীতে সেতু নির্মাণে নতুন আশার আলো

সুগন্ধা নদীতে সেতু নির্মাণের সম্ভাবনা যাচাইয়ে সচিবের পরিদর্শন

সেতু সচিবের পরিদর্শন ঘিরে আশার আলো দেখছে ঝালকাঠিবাসী। দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ আরও সহজ, দ্রুত ও আধুনিক করতে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীর ওপর সম্ভাব্য সেতু নির্মাণের স্থান পরিদর্শন করেছেন সেতু বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সচিব মো. আবদুর রউফ।

শনিবার (১১ জুলাই) সকালে ঝালকাঠি কলেজ খেয়াঘাট থেকে স্পিডবোটে নদীপথে পরিদর্শনে বের হন সচিব ও তাঁর সফরসঙ্গী ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পরিদর্শনকালে তারা নলছিটি উপজেলার ষাইটপাকিয়া, সুতালড়ী এবং ঝালকাঠি পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন সুগন্ধা নদীর তিনটি সম্ভাব্য স্থান ঘুরে দেখেন।

এ সময় সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও কর্মকর্তারা সম্ভাব্য সেতুর অবস্থান, নদীর প্রবাহ, সংযোগ সড়ক, ভূমি পরিস্থিতি এবং অন্যান্য কারিগরি বিষয়ে সচিবকে অবহিত করেন। সচিবও বিভিন্ন দিক নিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সুগন্ধা নদীর ওপর সেতু নির্মিত হলে ঝালকাঠি, নলছিটিসহ আশপাশের এলাকার মানুষের যাতায়াত আরও সহজ ও সময়সাশ্রয়ী হবে। একই সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী হবে এবং নদীর দুই তীরের জনপদে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও সামগ্রিক আর্থসামাজিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সম্ভাব্যতা যাচাই শেষে দ্রুত প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে বহুদিনের কাঙ্ক্ষিত সুগন্ধা সেতু বাস্তবায়নের পথ আরও সুগম হবে।

×
CLOSE X