এ কেমন বিচার! জিএম কাদেরের বাড়িতে হামলা, সেনাক্যাম্পে বলল ‘সরি’

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের রংপুরের বাড়ি ‘দ্য স্কাই ভিউ’-তে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মতো গুরুতর ঘটনায় কোনো মামলা, গ্রেপ্তার বা বিচার নয়—বরং অভিযুক্তদের নিয়ে বিএনপি ও ছাত্র সংগঠনের নেতারা সরাসরি হাজির হন সেনাক্যাম্পে। সেখানে দোষীরা সেনা কর্মকর্তাদের সামনে দুঃখ প্রকাশ করে বলল—‘সরি’।
এ ঘটনায় বিস্মিত রংপুরবাসী ও বিশ্লেষকরা বলছেন, এটা বিচার নয়, প্রহসন। এভাবে ক্ষমা চেয়ে কেউ ভয়াবহ অপরাধ থেকে দায়মুক্তি পেতে পারে?
গতকাল রাত ৯টার দিকে রংপুর স্টেডিয়ামে অবস্থিত সেনাবাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্পে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও বিএনপির নেতারা উপস্থিত হন। সঙ্গে ছিলেন সেই নেতাকর্মীরা, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ—তারা জিএম কাদেরের বাসভবনে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে সরাসরি জড়িত।
সেনাবাহিনীর ৭২ পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হুমায়ুন কাইয়ুমের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে অভিযুক্ত নেতারা বলেন, “ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত। ভবিষ্যতে এমন হবে না। আমরা ক্ষমা চাচ্ছি।”
🧍 কে ছিলেন সেখানে?
এই কথিত ‘ক্ষমা চাওয়ার’ আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন—
- মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক শামসুজ্জামান সামু
- সদস্য সচিব মাহফুজ উন নবী ডন
- ছাত্র আন্দোলনের মহানগর আহ্বায়ক ইমতিয়াজ আহমেদ ইমতি
- সদস্য সচিব রহমত আলী
- জেলা কমিটির আহ্বায়ক ইমরান আহমেদ
- সাবেক মুখপাত্র নাহিদ হাসান খন্দকার
- যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন
- সদস্য সচিব জামিল আহমেদসহ অন্তত ১৫-২০ জন নেতা-কর্মী।
🔥 হামলার পটভূমি:
২৯ মে রাতে রংপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা একটি বিক্ষোভ মিছিল থেকে শুরু হয় সংঘর্ষ। এরপরই হামলা চালানো হয় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের বাসভবনে। হামলাকারীদের হাতে ছিল লাঠিসোঁটা, ইট-পাথর ও দেশীয় অস্ত্র। বাসায় ঢুকে চালানো হয় ভাঙচুর ও আগুন দেওয়া হয়।
এই পুরো ঘটনা সেনাবাহিনীর কাছে থাকা ভিডিও ফুটেজে ধরা পড়ে। সেনাবাহিনী হামলাকারীদের শনাক্ত করে এবং তাদের উপস্থিত করার আহ্বান জানায়।
🧾 দায়ীদের ‘ক্ষমা’ নাটক:
সেনা ক্যাম্পে গিয়ে বিএনপি ও ছাত্র আন্দোলনের নেতারা স্বীকার করেন—তাদের অঙ্গ সংগঠনের দুজন এই হামলায় জড়িত ছিলেন। তারা সরি বলেছে। এ সময় তারা বলেন, ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আর ঘটবে না এবং রংপুরকে ‘শান্তির নগরী’ হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করবেন।
এদিকে ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক ইমতিয়াজ আহমেদ দাবি করেন—আগে তাদের মিছিলে জাতীয় পার্টির সন্ত্রাসীরা হামলা চালায়। তারই প্রতিক্রিয়ায় কাদেরের বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে।
🪖 সেনাবাহিনীর অবস্থান:
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হুমায়ুন কাইয়ুম বলেন,
“আমরা কাউকে বাধা দিচ্ছি না রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে। কিন্তু আইন নিজের হাতে নেওয়া, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ—এগুলো মেনে নেওয়ার প্রশ্নই আসে না। আমরা শুধু চিহ্নিত ব্যক্তিদের আহ্বান জানিয়েছিলাম।”
তিনি জানান, জাতীয় পার্টিকেও ডাকা হতে পারে, যদি তাদের পক্ষ থেকেও কেউ হামলার অংশ হয়ে থাকে এবং তাদের শনাক্ত করা যায়।
❗ প্রশ্ন ও প্রতিক্রিয়া:
ঘটনার পর সাধারণ মানুষের মধ্যে উঠেছে একটাই প্রশ্ন—এ কেমন বিচার?
- কাদেরের বাড়িতে আগুন দেওয়া হলো, অথচ কোনো মামলা নেই!
- হামলাকারীরা সরি বললেই দায়মুক্তি?
- বিচার বিভাগের কি কোনো ভূমিকা নেই?
- সেনাবাহিনী কি এখন বিচারক?
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি ভয়ঙ্কর এক নজির। একটি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় যদি শুধু ক্ষমা চেয়ে পার পাওয়া যায়, তাহলে ভবিষ্যতে এমন হামলা আরও উৎসাহিত হবে।
প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।
২০ বছর পর মামলার রায়, জেএমবির দুই সদস্যের ২০ বছর করে কারাদণ্ড

বিষ্ণুপুরে বিস্ফোরক উদ্ধারের মামলায় তিনজন দণ্ডিত
কুমিল্লায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের করা আলোচিত একটি মামলার প্রায় ২০ বছর পর রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে মামলার দুই আসামিকে ২০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক নারী আসামিকে ৮ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-৬) আদালতের বিচারক খাইরুন নেছা এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন নওগাঁ জেলার মো. মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে মিন্টু ওরফে সামাদ ওরফে রাজীব এবং গাজীপুরের শ্রীপুর থানার চকপাড়া এলাকার মোহাম্মদ দুরুল হুদা ওরফে হাসান। অপর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি দুরুল হুদার স্ত্রী খালেদা আক্তার রানী।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালের ১৩ মার্চ কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ৪/৬ ধারায় মামলা করা হয়। মামলাটির জিআর নম্বর ১০৬/০৬ এবং এসটি মামলা নম্বর ১৩৭/০৬।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০০৬ সালের মার্চে কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার বিষ্ণুপুর এলাকায় র্যাব-৭ অভিযান চালায়। একটি বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিভিন্ন বিস্ফোরক ও রাসায়নিক পদার্থ, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম এবং বোমা তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণ উদ্ধারের কথা মামলার এজাহার ও জব্দ তালিকায় উল্লেখ করা হয়।
উদ্ধার করা আলামতের মধ্যে সোডিয়াম সালফেট, লিড নাইট্রেট, সোডিয়াম নাইট্রেট, পটাসিয়াম ক্লোরাইড, সালফিউরিক অ্যাসিড, সালফার পাউডার, পটাসিয়াম ক্লোরেট ও অ্যালুমিনিয়াম পাউডারসহ বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থের কথা মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া ইলেকট্রিক ডেটোনেটর, ব্যাটারি, বৈদ্যুতিক তার, সার্কিট, বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও টেস্ট টিউবসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দের কথাও বলা হয়।
মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়, তৎকালীন র্যাবের হেফাজতে থাকা শায়খ আবদুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিষ্ণুপুর এলাকায় অভিযান চালানো হয়েছিল। তবে এসব তথ্য ২০০৬ সালের এজাহার ও মামলার নথিতে উত্থাপিত তথ্য হিসেবে উল্লেখ রয়েছে।
মামলার বিচারিক কার্যক্রমে বাদী ও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের উপস্থিতিতে বিভিন্ন সময়ে মোট ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষীদের জবানবন্দি, আসামিদের বক্তব্য, জব্দ তালিকা ও অন্যান্য নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালত তিন আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করেন।
রায়ে মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও মোহাম্মদ দুরুল হুদাকে প্রত্যেককে ২০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অন্যদিকে দুরুল হুদার স্ত্রী খালেদা আক্তার রানীকে ৮ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আদালতের রায়সংক্রান্ত তথ্যে বলা হয়েছে, খালেদা আক্তার রানীর সাজা নির্ধারণের ক্ষেত্রে তার তিন সন্তান থাকা, স্বামী কারাগারে থাকা এবং তার বিরুদ্ধে অন্য কোনো মামলা না থাকার বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
রায় ঘোষণার পর দণ্ডপ্রাপ্তদের সাজা পরোয়ানামূলে প্রয়োজনীয় পুলিশ পাহারায় প্রিজন ভ্যানে করে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিদের দুপুর ১টা ২০ মিনিটে আদালতে হাজির করা হয়। রায় ঘোষণার পর দুপুর ১টা ৫৬ মিনিটে তাদের কারাগারের উদ্দেশ্যে নেওয়া হয় এবং দুপুর ২টা ৪ মিনিটে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌঁছানো হয়।
দীর্ঘ দুই দশকের বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০০৬ সালের বিষ্ণুপুরে বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা আলোচিত মামলাটির নিষ্পত্তি হলো। সাক্ষ্য, জব্দ করা আলামত ও মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালত তিন আসামিকে পৃথক মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন।
দেবীদ্বারে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযান, ৬ জনের কারাদণ্ড

কুমিল্লার দেবীদ্বারে পুলিশের মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে মাদক সেবনের অভিযোগে সাতজনকে আটক করা হয়েছে। পরে তাদের মধ্যে ছয়জনকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অপর একজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দিবাগত রাতে দেবীদ্বার থানার পুলিশের পাঁচটি দল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পরে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ছয়জনকে পাঁচ দিন থেকে এক মাস পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
সাজাপ্রাপ্তরা হলেন—দেবীদ্বার উপজেলার বেগমাবাদ গ্রামের মো. সুলতান আহমেদের ছেলে মো. বিল্লাল হোসেন (২২), তাকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড; একই এলাকার রমজান মিয়ার ছেলে মো. নাহিদ (১৮), তাকে এক মাসের কারাদণ্ড; বরকামতা গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে মো. শরীফ (২০), তাকে সাত দিনের কারাদণ্ড; একই গ্রামের আব্দুল হকের ছেলে রমজান আলী (৩২), তাকে সাত দিনের কারাদণ্ড এবং মুরাদনগর উপজেলার নগরপাড় গ্রামের জহিরুল ইসলামের ছেলে জাহিদুল ইসলাম (১৮), তাকে পাঁচ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
এ ছাড়া উপজেলার গোপালনগর গ্রামের মৃত আলমগীরের ছেলে মো. দাবেদ (৩৬)-এর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অশোক বিক্রম চাকমা এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফয়ল উদ্দিন।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
দেবীদ্বারে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

মাদক-সন্ত্রাস-চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে প্রতিরোধের ঘোষণা
কুমিল্লার দেবীদ্বারে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে বেলা ২টায় ছোট আলমপুর চৌরাস্তা থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে নিউমার্কেট মুক্তিযোদ্ধা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে ‘স্বাধীনতা স্তম্ভের’ পাদদেশে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মো. বিল্লাল হোসেন বিল্লু, মো. রাজীব হোসেন, মো. তাজুল ইসলাম, মো. বাছির আহমেদ, নাজিম উদ্দিন আহমেদ, মো. শিপন, মো. সাইফুল আলমসহ আরও অনেকে।
“শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিভিন্ন দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে ১৯৮০ সালের ১৯ আগস্ট জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই স্বেচ্ছাসেবক দল দেশের বিভিন্ন সংকট ও দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করে আসছে। বর্তমানে আমাদের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ হচ্ছে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি প্রতিহত করা। এসব অপতৎপরতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলে মানুষের বসবাসযোগ্য সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে।”
সভায় বক্তারা মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে দলীয় নেতাকর্মীদের আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে গণমানুষের পাশে থেকে একটি শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ সমাজ প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।































