সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩

ক্ষমতা যার, গণমাধ্যমও তার: সাংবাদিকতার স্বাধীনতা নাকি নিয়ন্ত্রিত ব্যবসা?

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ জুন, ২০২৫, ৬:৫৮ পিএম
ক্ষমতা যার, গণমাধ্যমও তার: সাংবাদিকতার স্বাধীনতা নাকি নিয়ন্ত্রিত ব্যবসা?
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

“ক্ষমতা যার, গণমাধ্যমও তার।

এটা যেন দেহ ব্যবসার মতো।
টাকা যার, দেহ ব্যবসায়ী নাড়িও তার হাতে বাঁধা।”
— আলিফ মাহমুদ

এই কথাগুলো শুধু একটি হতাশার প্রতিফলন নয়—এটি একটি বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশেই গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রশ্নবিদ্ধ। একসময় যেসব পত্রিকা ছিল সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর, আজ অনেক ক্ষেত্রেই সেগুলো পরিণত হয়েছে ক্ষমতাসীনদের প্রচারণার যন্ত্রে।

গণমাধ্যম: চতুর্থ স্তম্ভ না বাণিজ্যিক হাতিয়ার?

গণমাধ্যমকে বলা হয় রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। এর কাজ হচ্ছে সত্য প্রকাশ করা, রাষ্ট্রের ক্ষমতাকে জবাবদিহিতার মধ্যে রাখা, দুর্নীতির মুখোশ উন্মোচন করা। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, মালিকানা এবং অর্থনৈতিক নির্ভরতার কারণে অনেক গণমাধ্যমই এখন ক্ষমতাসীন বা ধনী ব্যবসায়ীদের স্বার্থরক্ষার কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।

সাংবাদিকের কলম এখন কিনে নেওয়া যায়?

সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা। কিন্তু যখন কোনো সাংবাদিককে তার মালিক, বিজ্ঞাপনদাতা বা রাজনৈতিক দলের ইশারায় খবর লিখতে হয়, তখন সেই সাংবাদিকতা আর স্বাধীন থাকে না। অনেক তরুণ সাংবাদিক আজ স্বপ্ন নিয়ে পেশায় প্রবেশ করলেও কিছুদিন পরই বুঝতে পারেন—সত্য বলা মানে চাকরি হারানোর ঝুঁকি নেওয়া।

অর্থনীতি ও বিজ্ঞাপনের ফাঁদে গণমাধ্যম

বাংলাদেশের অধিকাংশ গণমাধ্যম এখন টিকে আছে সরকারি-বেসরকারি বিজ্ঞাপন এবং কর্পোরেট অর্থায়নের ওপর। এই নির্ভরতা গণমাধ্যমকে স্বাধীন মত প্রকাশে বাধা দেয়। কারণ, যেই ব্যবসায়ী বা রাজনৈতিক গোষ্ঠী বিজ্ঞাপন দেয়, সংবাদও চলে তাদের ইচ্ছেমতো।

সামাজিক গণমাধ্যম: বিকল্প না বিভ্রান্তি?

অনেকেই এখন সোশ্যাল মিডিয়াকে বিকল্প গণমাধ্যম হিসেবে দেখছেন। ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটকের মত প্ল্যাটফর্মে অনেকেই স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করছেন। তবে ভুল তথ্য, গুজব, এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণাও এখানে বাড়ছে, যা গণসচেতনতা তৈরি না করে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।

বাংলাদেশ বর্তমানে সাংবাদিক নির্যাতনের উর্বর ভূমি।

এ বিষয়ে জানতে ক্লিক করুন

সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা

বাংলাদেশে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, মামলা এবং হয়রানির ঘটনা বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে যারা দুর্নীতির বিরুদ্ধে রিপোর্ট করেন, তাদের টার্গেট করা হয়। ২০২৫ সালের মে মাসেই দেখা গেছে, ২৬৬ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, যার অধিকাংশই রাজনৈতিক প্রভাবিত।

RSF STATMENT পড়তে ক্লিক ককরুন


উপসংহার:

আলিফ মাহমুদ যখন বলেন, “ক্ষমতা যার, গণমাধ্যমও তার”, তখন তিনি কেবল একটি ক্ষোভ প্রকাশ করছেন না—তিনি আমাদের চোখ খুলে দিতে চাচ্ছেন। আমরা যদি সত্যিকারের স্বাধীন গণমাধ্যম চাই, তাহলে সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতা, নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হবে।

অন্যথায়, সাংবাদিকতা হয়ে উঠবে শুধু এক ধরনের দেহ ব্যবসা, যেখানে সত্য বিক্রি হবে টাকার বিনিময়ে, এবং গণতন্ত্রের কণ্ঠ চিরতরে স্তব্ধ হয়ে যাবে।

 


📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

0 0 votes
রেটিং দিন।
Subscribe
Notify of
guest
0 মন্তব্যসমূহ
Oldest
Newest Most Voted

ফুটপাত-নালা উদ্ধার নির্দেশ

নালা দখল করে দোকান নির্মাণ, ক্ষোভ ঝাড়লেন সিডিএ চেয়ারম্যান

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৬:২৮ পিএম
নালা দখল করে দোকান নির্মাণ, ক্ষোভ ঝাড়লেন সিডিএ চেয়ারম্যান

ফুটপাত ও পানি নিষ্কাশনের নালা দখল করে অবৈধভাবে দোকানপাট নির্মাণের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন। সোমবার সকালে অক্সিজেন-কুয়াইশ সড়কের সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

চেয়ারম্যানের কঠোর বার্তা

✅ ফুটপাত ও নালা দখলমুক্ত করার নির্দেশ
✅ অবৈধ স্থাপনা অপসারণে ব্যবস্থা নেওয়া হবে
✅ দোকানের সামনে বর্জ্য ফেললে জরিমানা
✅ নালা বন্ধ করে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করলে ছাড় নয়
✅ প্রয়োজনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা

সিডিএ চেয়ারম্যান বলেন, সড়কের দুই পাশে অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ফুটপাত দখল করে রেখেছে। কোথাও কোথাও নালার মুখ ময়লা-আবর্জনা ও স্থাপনা দিয়ে বন্ধ করে দেওয়ায় বৃষ্টির পানি স্বাভাবিকভাবে নিষ্কাশিত হতে পারছে না। ফলে সড়কে পানি জমে দ্রুত রাস্তার ক্ষতি হচ্ছে।

তিনি বলেন, “অপকর্ম করবে কিছু মানুষ, আর দায় নিতে হবে সিডিএকে—এটা হতে পারে না। রাস্তার পানি যে পথে নালায় যাওয়ার কথা, সেই পথই অনেক জায়গায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এতে জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে।”

বেলায়েত হোসেন জানান, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ইতোমধ্যে ফুটপাতের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, নালা উন্মুক্তকরণ এবং পানি চলাচল স্বাভাবিক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দোকানের সামনে রাখা অবৈধ ভ্যানগাড়ি সরিয়ে নেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হবে।

তিনি বলেন, “আমাদের প্রকৌশলীরা যেভাবে রাস্তা ও নালার নকশা তৈরি করেছেন, সেগুলো ঠিকভাবে রক্ষা না করলে পানি জমবেই। পরে সেই দায় এসে পড়ে সিডিএর ওপর। বাস্তবে আমরা নিজেরাই অনেক সময় সমস্যার জন্ম দিচ্ছি।”

স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও বাসিন্দাদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দোকানের সামনে ময়লা-আবর্জনা, পলিথিন ও বর্জ্য ফেলা যাবে না। নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের সামনের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব সংশ্লিষ্টদেরই নিতে হবে।

পরিদর্শনকালে তিনি সিডিএর প্রধান প্রকৌশলী আহমেদ আনোয়ারুল নজরুল ও সচিব মাহবুবউল করিমকে নালার ওপর অবৈধভাবে নির্মিত ঢালাই অপসারণ, দখলমুক্তকরণ এবং প্রয়োজনীয় স্থানে নতুন স্ল্যাব স্থাপনের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি পরিবেশ দূষণ ও ময়লা ফেলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে জরিমানাসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

৩৫ মিনিটে নিয়ন্ত্রণে আগুন

চট্টগ্রাম বন্দরের আরটিজি ক্রেনে আগুন, পুড়ল কন্টেইনারের পণ্য; ক্ষয়ক্ষতির হিসাব শুরু

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী, সম্পাদক : প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৬:১৩ পিএম
চট্টগ্রাম বন্দরের আরটিজি ক্রেনে আগুন, পুড়ল কন্টেইনারের পণ্য; ক্ষয়ক্ষতির হিসাব শুরু

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) এলাকায় একটি রাবার টায়ার্ড গ্যান্ট্রি (আরটিজি) আরটিজি ক্রেনে আগুন লাগার মতো ঘটনা ঘটেছে। সোমবার দুপুরে টার্মিনালের দক্ষিণ অংশে আগুনের সূত্রপাত হলে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পাশের কয়েকটি কন্টেইনারে। ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কর্তৃপক্ষ ও নৌবাহিনীর যৌথ প্রচেষ্টায় প্রায় ৩৫ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

       গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • এনসিটির ৪ নম্বর বার্থে আরটিজি ক্রেনের ইঞ্জিনে আগুনের সূত্রপাত
  • ৩৫ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে বন্দর ফায়ার সার্ভিস
  • পাশের একাধিক কন্টেইনার ক্ষতিগ্রস্ত
  • চীন থেকে আসা ফ্রিজভর্তি একটি কন্টেইনারের পণ্য পুড়ে গেছে
  • বিকেল সোয়া ৪টা থেকে পুনরায় শুরু হয় পণ্য ওঠানামা

বন্দর সূত্রে জানা যায়, সোমবার এনসিটির দক্ষিণ অংশের ৪ নম্বর বার্থে কন্টেইনার স্থানান্তরের কাজে ব্যবহৃত ১৪ নম্বর রাবার টায়ার্ড গ্যান্ট্রি (আরটিজি) ক্রেনের ইঞ্জিনে হঠাৎ আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের তাপ পাশের কয়েকটি কন্টেইনারেও ছড়িয়ে পড়ে।

আগুনের খবর পেয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম শুরু করে। পরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ফায়ার ইউনিট ঘটনাস্থলে যোগ দেয়।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. নাসির উদ্দিন জানান, অগ্নিকাণ্ডের পর সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টায় দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। নিরাপত্তার স্বার্থে আগুন লাগা ৩ নম্বর ইয়ার্ডের একটি অংশ ঘিরে রাখা হলেও বিকেল সোয়া ৪টা থেকে সংশ্লিষ্ট জেটিতে জাহাজ থেকে পণ্য ওঠানামা পুনরায় শুরু হয়।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত কন্টেইনারগুলোর মধ্যে বিশ্বের অন্যতম শিপিং কোম্পানি এমএসসির (মেডিটেরানিয়ান শিপিং কোম্পানি) একটি ৪০ ফুট দীর্ঘ আমদানিকৃত কন্টেইনার রয়েছে। কন্টেইনারটিতে চীন থেকে আনা শার্প ব্র্যান্ডের ফ্রিজ সংরক্ষিত ছিল।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, কন্টেইনারটি ২০২৫ সালের ২৬ এপ্রিল দেশে এলেও দীর্ঘদিন ডেলিভারি না নেওয়ায় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ সেটিকে নিলামের তালিকাভুক্ত করেছিল। নিলামে বিক্রির আগেই অগ্নিকাণ্ডে কন্টেইনারের অধিকাংশ পণ্য পুড়ে গেছে।

এক প্রত্যক্ষদর্শী কর্মকর্তা জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণের পর কন্টেইনার খুলে দেখা যায় ভেতরের প্রায় সব ফ্রিজই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।

চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে বড় কনটেইনার টার্মিনাল হিসেবে পরিচিত নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ। এখানে একসঙ্গে পাঁচটি জাহাজ ভেড়ানো যায় এবং বন্দরের মোট কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের প্রায় অর্ধেক এই টার্মিনালের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। ২০০৭ সালে প্রায় ৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ টার্মিনালে পরবর্তীতে প্রায় ১,২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও ১৪টি কি-গ্যান্ট্রি ক্রেন সংযোজন করা হয়।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

আওয়ামীলীগের ভয়ে নিরাপত্তা জোরদার

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী রুখতে, ছয় জেলায় সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ২:৫২ পিএম
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী রুখতে, ছয় জেলায় সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত

আগামী ২৩ জুন কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে সম্ভাব্য নাশকতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশের ছয় জেলায় সেনা মোতায়েন এর মতো গুরুত্বপূর্ন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

গুরুত্বপূর্ণ হাইলাইটস
• আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে উত্তেজনা
• ছয় জেলায় সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত
• নাশকতা আশঙ্কায় নিরাপত্তা জোরদার
• জেলা প্রশাসন ও সেনাবাহিনী সমন্বয় করবে
• সোমবারের মধ্যেই আদেশ জারির সম্ভাবনা

ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ ও চট্টগ্রাম—এই ছয় জেলায় সেনা মোতায়েন করা হবে বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক অনুবিভাগের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি, মিছিল বা সমাবেশের আড়ালে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা, সহিংসতা বা নাশকতার চেষ্টা হতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো সুরক্ষিত রাখতে সেনাবাহিনীকে মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আরও জানান, জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে সেনাবাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকা ও এর আশপাশের জেলাগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার থাকবে।

তিনি বলেন, সোমবারের মধ্যেই এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক আদেশ জারি করা হতে পারে। আদেশ জারির পরপরই নির্ধারিত জেলাগুলোতে সেনা মোতায়েন কার্যক্রম শুরু হবে।

এদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক সূত্র জানিয়েছে, রাজনৈতিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে যেন কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, সেজন্য গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে। সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।

সরকারের এ সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এ পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×
CLOSE X
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x